আসসালামু আলাইকুম
সবাই কেমন আছেন | আশা করি সবাই আল্লাহ রহমতে ভালো আছেন |
আপনাদের সবাইকে আমার ওয়েবসাইটে স্বাগতম | আমি ২০২২ সালে এই কলেজ
বিএফ শাহীন কলেজ, কুর্মিটোলায় ভর্তি হয়েছি |
আমার পছন্দের সাবজেক্টসমূহ
- MATH
- CHEMISTRY
- ISLAM
আমার পছন্দের ব্যাক্তিসমূহ
- হযরত মুহাম্মদ সাঃ
- আমার বাবা
- আমার মা
রাসুল (সা.) বলেন, ‘তোমাদের কেউ ততক্ষণ পর্যন্ত ঈমানদার হতে পারবে না, যতক্ষণ না তার কাছে আমি তার পিতামাতার চেয়ে, সন্তানাদির চেয়ে এবং সমস্ ত মানুষের চেয়ে প্রিয় না হব।’ (বুখারি, হাদিস : ১৫)
চলুন কিছু ❓প্রশ্ন করি উত্তর দিন
আমি কুরয়ান পড়ি 💗
আমি অর্থসহ এবং ব্যাখ্যা সহকারে কুরয়ান পড়ার চেষ্টা করি 💥
আমার বাসায় ইবনে কাশির আছে ♥
আপনি চাইলে নিচের ফর্ম টি ফিলয়াপ করতে পারেন
ফর্ম ফিলয়াপ করুন
নিচের ফর্ম টি ফিলয়াপ করার পর সাবমিট বাটনে ক্লিক করুন
Education Qualification
| Exam Name | Board | GPA |
| PSC | Barishal | 5.00 |
| JSC | Dhaka | 4.86 |
| SSC | Dahaka | 5.00 |
Slideshow Gallery
Audio and video using html
নিচের তথ্যগুলো আপনাদের কাজে লাগতে পারে
ভোলা জেলা
ভোলা জেলার পূর্ব নাম দক্ষিন শাহবাজপুর ।
জে.সি. জ্যাক তার "বাকেরগঞ্জ গেজেটিয়ার"-এ বলেছেন যে দ্বীপটি ১২৩৫ সালে তৈরি হওয়া শুরু হয়েছিল এবং এই এলাকায় চাষাবাদ শুরু হয়েছিল ১৩০০ সালে।< ১৫০০ সালে পর্তুগিজ এবং মগ জলদস্যুরা এই দ্বীপে তাদের ঘাঁটি স্থাপন করে। শাহবাজপুরের দক্ষিণাঞ্চলেও আরাকান ও মগ জলদস্যুরা তাদের ঘাঁটি স্থাপন করে।
বাকেরগঞ্জজেলার একটি
সুলতান গিয়াস উদ্দিন আজম শাহঃ
গিয়াসউদ্দিন আজম শাহ (শাসনকাল ১৩৮৯-১৪১০) ছিলেন প্রথম ইলিয়াস শাহি রাজবংশের তৃতীয় সুলতান।[১] তিনি তৎকালীন বাংলার সুপরিচিত সুলতানদের অন্যতম ছিলেন। তার প্রকৃত নাম আজম শাহ। সিংহাসন আরোহণের পর তিনি গিয়াস উদ্দিন আজম শাহ নাম ধারণ করেন।
গিয়াসউদ্দিন আজম শাহ
বাংলার সুলতান
রাজত্ব
১৩৮৯–১৪১০
পূর্বসূরি
সিকান্দার শাহ
উত্তরসূরি
সাইফউদ্দিন হামজা শাহ
বংশধর
সিকান্দার শাহ
প্রাসাদ
ইলিয়াস শাহি রাজবংশ
গিয়াসউদ্দিন আজম শাহর মাজার, নারায়ণগঞ্জ, বাংলাদেশ।
বৈদেশিক সম্পর্ক
সম্পাদনা
তিনি যুদ্ধর চেয়ে মিত্রতা ও কূটনীতির মাধ্যমে রাজ্যকে সমৃদ্ধ করতে বেশি আগ্রহী ছিলেন। তিনি চীনের মিং সাম্রাজ্যের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করেছিলেন, পারস্যের শীর্ষস্থানীয় চিন্তাবিদদের সাথে সাংস্কৃতিক যোগাযোগ স্থাপন করেছিলেন এবং আসামকে জয় করেছিলেন।[২] শাসনের প্রাথমিক পর্যায়ে তিনি কামরূপের বিরুদ্ধে একটি সামরিক অভিযান পরিচালনা করেন। তবে অঞ্চল জয়ের চেয়ে শাসন সুসংহত করার প্রতি তার মনোনিবেশ বেশি ছিল। জৌনপুরের খাজা জাহানের নিকট তিনি দূত ও উপহার প্রেরণ করেন।[৩] সমকালীন চৈনিক সম্রাট ইয়ং লির সাথে তার সুসম্পর্ক ছিল। ১৪০৫, ১৪০৮ ও ১৪০৯ সালে তিনি চীনে দূত প্রেরণ করেন।[৩] ইয়ং লিও তার কাছে দূত ও উপহার পাঠান। গিয়াসউদ্দিন আজম শাহ মক্কা ও মদিনায়ও দূত প্রেরণ করেন।[৪] এই দুই স্থানে গিয়াসিয়া মাদ্রাসা নামক দুটি মাদ্রাসা নির্মাণে তিনি আর্থিক সাহায্য প্রদান করেন।[৩] তার শাসনামলে জমিদার রাজা গণেশ নিজের ক্ষমতা বৃদ্ধি করেন।[৩]
সাহিত্যে আগ্রহ
সম্পাদনা
গিয়াসউদ্দিন আজম শাহ পণ্ডিত ও কবিদের সমাদর করতেন। পারস্যের কবি হাফিজের সাথে তার পত্রবিনিময় হত। বাঙালি মুসলিম কবি শাহ মুহম্মদ সগীর তার বিখ্যাত রচনা ইউসুফ জুলেখা এ সময়ে সম্পন্ন করেন। এসময় কৃত্তিবাসের রামায়ণ বাংলায় অনুবাদ করা হয়।[৩]
কবি হাফিজকে বাংলায় নিমন্ত্রন করার জবাবে তিনি সুলতানকে একটি গজল রচনা করে পাঠান।
Responsive Footer
Have a look
On Below Footer
এই ওয়েবসাইট টি রাত

0 Comments